নিজস্ব প্রতিবেদক:
নগরের ইপিজেড–পতেঙ্গা এলাকার জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি একটি সরকারি হাসপাতাল। সেই দাবি পূরণের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত জমি পরিদর্শন করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পতেঙ্গার মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় যান তিনি।
বানৌজা উল্কার আবাদ অঞ্চল-২ এর পশ্চিম পাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে বিবেচনায় রয়েছে।
নৌবাহিনীর সূত্র জানায়, সেখানে মোট ১৪ দশমিক ২১৯০ একর ও ২ দশমিক ৭ একর জমি রয়েছে। পরিদর্শনের সময় কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান জমির অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, আশপাশের অবকাঠামো ও উন্নয়ন সম্ভাবনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, মেরিন ড্রাইভ এলাকায় একটি জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে বিশেষায়িত কয়েকটি ইউনিট থাকবে। পাশাপাশি একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার কথাও ভাবা হচ্ছে। দেশে এ খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রাম-১১ আসনের নির্বাচনী ইশতেহারের ১১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকটি জায়গা আমরা দেখছি। তার মধ্যে মেরিন ড্রাইভের এই জায়গাটি একটি। সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
স্থানীয় সাংসদ ও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর চট্টগ্রাম-১১ আসনের নির্বাচনী ইশতেহারের ১১ দফার মধ্যে প্রথম প্রতিশ্রুতিই ছিল এ এলাকায় একটি সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত জমি পরিদর্শন সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রথম দফা পদক্ষেপ।
অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। রাজস্ব বাড়াতে হবে, বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তিনি জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান অগ্রাধিকার পাবে।’
এ সময় বানৌজা উল্কার অধিনায়ক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), জেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের আশা, হাসপাতালটি বাস্তবায়িত হলে পতেঙ্গা ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা নিকটবর্তী এলাকায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাবেন এবং চট্টগ্রাম মহানগরের চিকিৎসা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
বিআর /
