নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি পরিবার সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে, যা দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। ফ্যামিলি কার্ড এই কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে সরাসরি অর্থনৈতিক শক্তি তুলে দেয়া।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ইফতার মাহফিলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন এমপি, আবু সুফিয়ান এমপি, এরশাদ উল্লাহ এমপি, এনামুল হক চৌধুরী এমপি, শাহজাহান চৌধুরী এমপি, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, জেলা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খাঁন প্রমূখ।
শেষে দেশবাসীর কল্যাণে দোয়া ও মুনাজাত করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি ও অন্যান্যরা। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের পদস্থ কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আমির খসরু আরও বলেন, ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১নং ওয়ার্ডের উপকারভোগীদের মাঝে প্রথম পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য উপকারভোগীরা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীতে দুর্নীতিমুক্ত আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান।
মন্ত্রী বলেন, সরকার মনে করে, পরিবারের একজন নারীই সবচেয়ে ভালো বোঝেন পরিবারের প্রকৃত চাহিদা এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনা। তাই তাদের ব্যাংক হিসাবেই সরাসরি অর্থ পাঠানো হচ্ছে, যাতে তারা কারও কাছে না গিয়ে স্বাধীনভাবে সেই অর্থ ব্যবহার করতে পারেন। ইতোমধ্যে ৫৫৭৫টি পরিবারের নারী প্রধানদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়েছে। তাদেরকে কোথাও যেতে হয়নি বা কোনো আবেদন করতে হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে জরিপ করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করেছেন।
ডিএস/ বিআর
