স্থির হচ্ছে না স্বর্ণের বাজার। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এই সিদ্ধান্ত জানান।
সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দাম ওই সময় থেকে কার্যকর হয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমানো হয়েছে।
রোববার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের লেনদেন বন্ধ ছিল। সোমবার বাজার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় দর পতন লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬৫১ ডলারে নেমে এসেছে। শনিবার লেনদেন শেষে ছিল ৪ হাজার ৮৯৩ ডলার। তার আগে শুক্রবার ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং বৃহস্পতিবার ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।
সোমবার সকালে দেশের বাজারে বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।
সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।
