নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন

by Desh Sarakkhon
০ comments

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামে অনুমোদিত নকশা ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা পর্যালোচনা করে নগরীর যানজট নিরসনে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)।

প্রাথমিক পরিদর্শনে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তী পরিদর্শনেও অনিয়ম অব্যাহত থাকলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে জিইসি মোড়ের মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, রয়েল হাসপাতাল, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতাল এবং সিএসসিআর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এসব কথা জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন।

চউক সূত্রে জানা যায়, বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা, প্রয়োজনীয় পার্কিং স্পেস না রাখা, নকশায় পার্কিং হিসেবে দেখানো স্থান অন্য কাজে ব্যবহার, পার্কিং এলাকা যথাযথভাবে চিহ্নিত না করা এবং পার্কিং স্পেসে ময়লা-আবর্জনা ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস সিলিন্ডার সংরক্ষণের মতো একাধিক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিদর্শন শেষে চউক’র প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল বলেন, ‘প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নকশা ও বাস্তব অবস্থা যাচাই করা হচ্ছে। তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নিলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই আপাতত সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। শিগগিরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে চউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রায় কোনোটিতেই পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত নকশা বহির্ভূতভাবে এবং পার্কিং ব্যবস্থা ছাড়াই বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে নিজস্ব উদ্যোগে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আংশিক পার্কিং ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেলায়েত হোসেন আরও বলেন, ‘সিডিএ, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা ও সিএমপিসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা নগরের যানজট নিরসনে একযোগে কাজ করছে। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। যেসব হাসপাতালকে সতর্ক করা হয়েছে, পরবর্তী পরিদর্শনে তাদের আকার অনুযায়ী পার্কিং ব্যবস্থা দৃশ্যমান না হলে কোনো অজুহাত গ্রহণ না করে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরিদর্শনকালে সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ইমারত নির্মাণ কমিটি-২-এর চেয়ারম্যান এজিএম সেলিম, নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান, অথোরাইজড অফিসার-১ কাজী কাদের নেওয়াজ, অথোরাইজড অফিসার-২ তানজীব হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএস/ বিআর

You may also like

Leave a Comment