জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি গণজাগরণ, যেখানে শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। তাই জুলাই অভ্যুত্থানের মূল্যায়ন করতে হলে আমাদের আগে বুঝতে হবে এই বিপ্লবে জনগণের প্রত্যাশা কি ছিল।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া এসব কথা বলেন।
এসময় উপাচার্য বলেন, প্রকৃত অর্থে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আমাদের সামনে একটি নতুন স্বপ্ন ও নতুন প্রত্যাশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সেদিন রাজপথে যে অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা যে কোনো মূল্যে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, দেশ গড়ার লড়াই কখনো শেষ হয় না। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সে লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই জুলাই শহীদদের প্রতি ঋণ পরিশোধের আন্তরিক প্রচেষ্টা বাস্তবায়িত হতে পারে। জুলাইয়ের যে চেতনা সে চেতনা যাতে কোনভাবেই ব্যাহত না হয় সে চেষ্টায় আমাদের অবিচল থাকতে হবে।
বিজিসি ট্রাস্টের রেজিস্ট্রার ইনচার্জ ড. এস এম শোয়েভ এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ট্রেজারার অধ্যাপক প্রফেসর ড. হযরত আলী মিয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রয়ক প্রফেসর মো. সিরাজ উদ-দৌলা।
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ডীন প্রফেসর ড. মো. সরোয়ার উদ্দিন, ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান জাহেদ বিন রহিম। উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সালাহউদ্দিন চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আজিম উদ্দিন, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াসির সিলমী, প্রক্টর ইনচার্জ ড. সিরাজ মিয়া ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিন শাহারিয়ার। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।
ডিএস/ বিআর
